ইরানকে অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে কঠোর আ'ঘাত করা হচ্ছে: ট্রাম্প

প্রধান অ্যাডমিন — 2026-10-20T04:48:00.000Z

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের মধ্যে ইরানকে অর্থনৈতিক ও সামরিক—উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত কঠোরভাবে কোণঠাসা করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর, ২০২৬) মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, কানসাসে এক নির্বাচনি সমাবেশে ট্রাম্প মন্তব্য করেন যে, মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ বাহিনীর ধারাবাহিক ও দূরপাল্লার বিমান হামলায় ইরানের সামরিক অবকাঠামো এবং নেতৃত্ব প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের (CENTCOM) তথ্যানুযায়ী, হামলায় ইরানের বিমান ও নৌবাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং দেশটির বিমানবন্দরগুলোর রানওয়েতে বিপুলসংখ্যক ফাইটার জেট ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এছাড়া ইরানের ৮০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৮৩ শতাংশ ড্রোন লঞ্চার ইতিমধ্যে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে বলে দাবি ওয়াশিংটনের। ট্রাম্প আরও জানান, অভিযানে প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরের শীর্ষ সামরিক নেতারা নিহত হওয়ায় ইরানের কমান্ড ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং সমুদ্রপথে কড়া মার্কিন নৌ-অবরোধের কারণে দেশটির তেল রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলারের রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। এই সংকটে ইরানকে কোনো বড় ধরনের কৌশলগত সহায়তা না দিয়ে দূরে থাকায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ‘সংযমের’ প্রশংসা করেছেন ট্রাম্প। অন্যদিকে, মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের (IRGC) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার-জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তাদের আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে তারা পারস্য উপসাগরের তলদেশ দিয়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ও ডেটা যোগাযোগের ‘আন্ডারসি কেবল’ লক্ষ্য করে প্রতিরোধমূলক হামলা চালাবে।

দৈনিক রূপালী চট্টগ্রাম