বঙ্গোপসাগর মা ইলিশ মাছ নিয়ে যারা দায়িত্ব আছে ,এই হাদিসটা দেখার দরকার

প্রধান অ্যাডমিন — 2026-10-16T18:25:00.000Z



হ্যাঁ, ইসলামি শরিয়ত বা আইন অনুযায়ী সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ ধরা সম্পূর্ণ গুনাহ এবং এটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। ইসলামে এর জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো শারীরিক বা আর্থিক "হদ" (যেমন চুরি বা ডাকাতির নির্দিষ্ট শাস্তি) নির্ধারিত না থাকলেও, এটি "তা'জির" বা শাসনমূলক শাস্তির আওতাভুক্ত। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী অপরাধীকে ১ থেকে ২ বছরের জেল এবং সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হতে পারে।
ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার বিধান এবং শাস্তির ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:

১. উলিল আমর বা রাষ্ট্রীয় আনুগত্যের বিধান

ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী, জনগণের কল্যাণ এবং জাতীয় সম্পদ রক্ষায় রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার যদি কোনো বৈধ নিয়ম বা নিষেধাজ্ঞা জারি করে, তবে তা মেনে চলা প্রত্যেক নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক (ওয়াজিব)। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে:
"হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো, রাসুলের আনুগত্য করো এবং তোমাদের মধ্য থেকে উলিল আমর (কর্তৃপক্ষ বা শাসকগোষ্ঠী)-এর আনুগত্য করো।" (সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৫৯)
যেহেতু মা ইলিশ রক্ষা করার এই সরকারি নিষেধাজ্ঞা দেশের ইলিশ সম্পদ বৃদ্ধি ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক কল্যাণের জন্য দেওয়া হয়েছে, তাই এটি অমান্য করা সরাসরি গুনাহ বা পাপ।

২. "ক্ষতিসাধন করা যাবে না" (ইসলামি মূলনীতি)

ইসলামের একটি প্রসিদ্ধ ফিকহি মূলনীতি হলো—"লা দারারা ওয়া লা দিরার" (কারো ক্ষতি করা যাবে না এবং নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া যাবে না)। ডিম ছাড়ার সময় মা ইলিশ মাছ ধরলে দেশের মৎস্য সম্পদ ধ্বংস হয়, যা প্রকারান্তরে পুরো জাতি ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্ষতি করে। ইসলামে এ ধরনের ক্ষতিকর কাজকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

৩ ইসলামি আইন অনুযায়ী শাস্তি (তা'জির)

ইসলামে যে সব অপরাধের নির্দিষ্ট শাস

দৈনিক রূপালী চট্টগ্রাম