চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মাদক দমনে আসছে কঠিন আইন

প্রধান অ্যাডমিন — 2026-10-16T03:39:00.000Z

দেশে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক কারবার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে বিদ্যমান আইনের দুর্বলতা দূর করে আইন সংশোধন বা নতুন আইন প্রণয়নের চিন্তা করছে সরকার। চাঁদাবাজির শিকার ব্যক্তি ভয়ে মামলা করতে না চাইলে পুলিশ নিজেই বাদী হয়ে মামলা করতে পারবে—এমন বিধান রাখার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে চাঁদাবাজ ও তাদের পেছনের গডফাদারদের শনাক্ত করতে বডি ক্যামেরা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অপরাধ দমনে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি পুলিশের জনবল ও যানবাহন সংকট নিরসনের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। মাদক মামলায় তদন্তের দুর্বলতা নিয়ে বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির পঞ্চম বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি ও ছিনতাই দমন, পুলিশের সক্ষমতা এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া বিভাগীয় ব্যবস্থার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠকে ২০২৫ ও ২০২৬ সালের অপরাধের তুলনামূলক পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়। উপস্থাপিত তথ্যের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন কমিটির সদস্যরা।


জানা যায়, কমিটির প্রথম বৈঠকে চাঁদাবাজি বন্ধে বিদ্যমান আইনের দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, পেনাল কোডের বিদ্যমান আইনি দুর্বলতা দূর করতে আইন সংশোধন অথবা নতুন আইন প্রণয়নের চিন্তা করা হচ্ছে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় চাঁদাবাজির শিকার ব্যক্তি ভয়ে পিছিয়ে গেলে বা মামলা করতে না চাইলেও পুলিশ নিজেই বাদী হয়ে মামলা করতে পারবে। চাঁদা আদায়কারী এবং তাদের পেছনের গডফাদারদের শনাক্ত করতে বডি ক্যামেরা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। এসব ক্যামেরায় ধারণ করা অডিও-ভিডিও আদালতে গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এ ছাড়া মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তুলনামূলক কম শাস্তির পরিবর্তে কঠোর সাজা নিশ্চিত করতে আইনি সংস্কারের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

এদিকে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি অপরাধীদের শনাক্ত ও বিচারের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে কমিটি।


জনসংখ্যার অনুপাতে পুলিশের ঘাটতি পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১৮ কোটি ৬ লাখ ৩ হাজার মানুষের বিপরীতে অন্তত ৩ লাখ ৫৪ হাজার ১২৩ জন পুলিশ সদস্য প্রয়োজন। তবে বাংলাদেশ পুলিশের অনুমোদিত পদ রয়েছে ২ লাখ ৭ হাজার ৯৩৮টি। এর বাইরে নন-পুলিশ পদ ১০ হাজার ৮০৯টিসহ মোট অনুমোদিত পদ ২ লাখ ১৮ হাজার ৭৪৭টি। প্রয়োজনীয় সংখ্যার তুলনায় অনুমোদিত পুলিশ পদের ঘাটতি ১ লাখ ৪৬ হাজারের বেশি।


বৈঠকে জানানো হয়, এরই মধ্যে প্রায় ২৭ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরে আরও ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায়। আগে স্থগিত থাকা ২ হাজার সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) পদে মেধাভিত্তিক ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সরাসরি নিয়োগের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থাগুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পুলিশের যানবাহন সংকট জনবলের পাশাপাশি পুলিশের যানবাহন সংকটও বৈঠকে আলোচনায় আসে। কার্যবিবরণী অনুযায়ী, পুলিশের অনুমোদিত যানবাহন ১৬ হাজার ২০০টি এবং এর মধ্যে মোটরসাইকেল ৯ হাজার ৭৮৭টি। এর মধ্যে সচল মোটরসাইকেল ৫ হাজার ৫০৩টি। পুলিশের ৬ হাজার ৫৫৮টি যানবাহনের বয়স আট বছরের বেশি। ২০১৯ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ৩ হাজার ৬৪২টি যানবাহন ব্যবহারের অনুপযোগী ঘোষণা করা হয়েছে। বিপরীতে নতুন কেনা হয়েছে ২ হাজার ২৪৯টি। যানবাহন সচল রাখতে বছরে ৩০০ থেকে ৩৫০ কোটি টাকা প্রয়োজন। অপারেশনাল ও বিশেষায়িত যানবাহন কেনার জন্য দুটি পৃথক প্রকল্পের প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


২০২৫ সালে ডাকাতি ৭০২, খুন ৩ হাজার ৭৮৮, ধর্ষণ ৩ হাজার ২৩২টি বৈঠকে উপস্থাপিত ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অপরাধের পরিসংখ্যানে ডাকাতির ৭০২টি, দস্যুতার ১ হাজার ৯৩৫টি, খুনের ৩ হাজার ৭৮৮টি, দ্রুত বিচার আইনে ৯৮৮টি, দাঙ্গার ৬৬টি, ধর্ষণের ৩ হাজার ২৩২টি এবং অ্যাসিড নিক্ষেপের সাতটি ঘটনার তথ্য তুলে ধরা হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন, অপহরণ, চুরি, সিঁধেল চুরি, পুলিশের ওপর হামলা, অস্ত্র আইন, বিস্ফোরক দ্রব্য, মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানসংক্রান্ত অপরাধের পরিসংখ্যানও পর্যালোচনা করা হয়।


ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খুনের ঘটনায় ১৭৬টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ২৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ১৫৮টি মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়েছে। একই সময়ে ডাকাতির ঘটনায় ২০টি মামলা হয়েছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৫৩ জনকে এবং ১৮টি মামলার রহস্য উদ্ঘাটন হয়েছে।


এ সময়ে ছিনতাইকারী হিসেবে ১ হাজার ৫৬ জন এবং চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ১ হাজার ১৭৯ জনকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তারের তথ্য প্রতিবেদনে রয়েছে। অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে ১ হাজার ১৮১ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিশেষ মহানগর হাকিম আদালতের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট ও সংক্ষিপ্ত বিচারে ৬৯ হাজার ৭৩৩ জনকে কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে ডিএমপির অগ্রগতি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।


মাদক উদ্ধারে বড় অভিযান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে ৪১ লাখ ২২ হাজার ১১০ পিস ইয়াবা, ৪ হাজার ৯৫৫ দশমিক ৮৮ কেজি গাঁজা, ৩ হাজার ১২৯ বোতল ফেনসিডিল, ১ দশমিক ৭০৫ কেজি হেরোইন, ১০২ দশমিক ৩ কেজি সিসা, ১৮ হাজার ৫৭০ অ্যাম্পুল ইনজেকটিং ড্রাগ, ১৯২ গ্রাম আইস, ১ হাজার ৪৮ বোতল বিদেশি মদ, ২ হাজার ৩৭ ক্যান বিয়ার, ৬ দশমিক ৩৫ কেজি কেটামিন, ১৮ দশমিক ৫ কেজি কুশ, ২ লাখ ৬ হাজার ১০৪ পিস ট্যাপেন্টাডল এবং ৬৮৪ মিলিলিটার টিএইচসি। ৬৪ জেলায় মাদক কারবারিদের তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে বৈঠকে।


মাদক মামলায় তদন্তের দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি তদন্তের মান উন্নত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন। মাদক উদ্ধারের পর মামলার এজাহার ও জব্দ তালিকায় অসংগতি থাকলে আদালতে প্রমাণ উপস্থাপনে দুর্বলতা তৈরি হয় বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার মতে, মামলার নথিপত্রের দুর্বলতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে আসামিরা পার পেয়ে যায়। এ কারণে উদ্ধারস্থলসহ সব তথ্য সঠিকভাবে নথিবদ্ধ করা এবং আইনানুগ পদ্ধতি অনুসরণ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।


বৈঠকে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির বলেন, বেকারত্বের কারণে যুবসমাজের একটি অংশ মাদকে আসক্ত হচ্ছে। তার দাবি, মেডিকেল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে রাত জেগে পড়াশোনার প্রলোভন দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের ইয়াবায় অভ্যস্ত করা হচ্ছে। মাদক প্রতিরোধে কার্যকর নীতিমালা এবং উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি চালুর ওপর জোর দেন তিনি।


মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আধুনিকায়নে পরীক্ষাগার স্থাপন, ডগ স্কোয়াড গঠন, ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরি এবং জেলা পর্যায়ে কার্যালয় সম্প্রসারণের উদ্যোগ রয়েছে। বিমানবন্দর, নৌবন্দর ও বড় বাস টার্মিনালে স্ক্যানার, এক্স-রে ও হাতে বহনযোগ্য শনাক্তকরণ যন্ত্র স্থাপনের পরিকল্পনাও আলোচনায় এসেছে। মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য বিভাগীয় শহরগুলোতে নিরাময়কেন্দ্র নির্মাণের বিষয়েও কার্যক্রম চলছে।


পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে বিতর্কিত বা নেতিবাচক ভূমিকা পালনের অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল সংসদীয় কমিটি। বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের দেওয়া অগ্রগতি প্রতিবেদনে জানানো হয়, গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঘটনায় এএসপি থেকে তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার ১৪৭ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে। একই ঘটনায় পুলিশ পরিদর্শক পদমর্যাদার ৭৩ জন কর্মকর্তাকেও অবসর দেওয়া হয়েছে।


৫ আগস্ট ২০২৪-পরবর্তী সময়ে পলায়নের অভিযোগে বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ৬২ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। এর মধ্যে ৩১ জনের বিরুদ্ধে মামলা নিষ্পত্তি করে চাকরি থেকে বরখাস্তের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ৩১ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলছে।


গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলার রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে এএসপি থেকে তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার ১৩ জন কর্মকর্তার মধ্যে পাঁচজনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। বাকি আটজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলছে। এ ছাড়া ৫ আগস্ট-সংশ্লিষ্ট ঘটনায় কর্মস্থলে অনুপস্থিত বা পলাতক এএসপি থেকে তদূর্ধ্ব ৫৭ জন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় মামলা চলছে।


গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফৌজদারি, সিআর ও আইসিটি মামলায় গ্রেপ্তার ২৯ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তাদের মধ্যে ডিআইজি পদমর্যাদার দুজন কর্মকর্তাকে জনস্বার্থে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে।


প্রযুক্তি ব্যবহারের সুপারিশ চাঁদাবাজি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং ও সংঘবদ্ধ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যুগোপযোগী প্রযুক্তি ব্যবহারের সুপারিশ করেছে কমিটি। অনলাইনে গুজব, জালিয়াতি ও নারীদের সাইবার হয়রানি মোকাবিলায় নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সাইবার অপরাধ দমনে পৃথক সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠনের বিষয়টি বৈঠকে জানানো হয়। কার্যবিবরণী অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর পৃথক সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠন করা হয়েছে।


বৈঠকে কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন ছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মনোয়ার হোসেন, শিরীন সুলতানা, নূরুল ইসলাম ও আব্দুল বাতেন অংশ নেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কর্মকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

দৈনিক রূপালী চট্টগ্রাম