ইমরান খানের সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘ;র্ষ, সেনা মোতায়েন
প্রধান অ্যাডমিন — 2026-10-15T06:08:00.000Z
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এ পরিস্থিতিতে স্কুল বন্ধ, ইন্টারনেট ব্যবহারে বিধিনিষেধ এবং সড়কে শিপিং কনটেইনার দিয়ে অবরোধের পাশাপাশি শহরে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।মঙ্গলবার প্রদেশের বারা এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রাদেশিক সরকারের কার্যক্রম স্থগিত করে কেন্দ্রীয় সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রতিবাদে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। পিটিআই নেতাদের অভিযোগ, পুলিশ সমর্থকদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাস ও গুলি ছুড়েছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে প্রাদেশিক প্রশাসন।
জঙ্গি সহিংসতা বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে রোববার খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার। পিটিআই এ পদক্ষেপকে রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের অজুহাত বলে অভিহিত করেছে।
প্রাদেশিক প্রশাসনের তথ্য ব্যবস্থাপক সামার হারুন বিলুর রয়টার্সকে বলেন, পুলিশের সরাসরি গুলি চালানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন। তাঁর দাবি, এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে। তিনি জানান, দাঙ্গা ও ভাঙচুরের ঘটনায় প্রায় ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে চারটি মামলা হয়েছে।
অন্যদিকে, পিটিআইয়ের মুখপাত্র জুলফিকার বুখারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে কয়েকটি ভিডিও প্রকাশ করে বারা এলাকায় সহিংসতার অভিযোগ তুলেছেন। দলটির কর্মকর্তাদের দাবি, সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। বারা এলাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের (নাদরা) একটি কেন্দ্রে আগুন দেওয়ার অভিযোগও করেছে দলটি। তবে এসব ঘটনার দায় কার, তা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
রয়টার্স জানিয়েছে, সংঘর্ষের ভিডিও ও গুলি চালানোর অভিযোগ নিয়ে দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
২০২৩ সাল থেকে কারাগারে রয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সামরিক স্থাপনায় হামলায় উসকানি ও দুর্নীতিসহ একাধিক অভিযোগের মুখোমুখি তিনি। এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ইমরান দাবি করে আসছেন, তাঁকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করতেই মামলাগুলো করা হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
দৈনিক রূপালী চট্টগ্রাম