উড়তে থাকা ম্যানসিটিকে মাটিতে নামিয়ে আনল পিএসজি

প্রধান অ্যাডমিন — 2026-10-15T03:05:00.000Z

ইতিহাদে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে প্রথমার্ধেই প্রস্ফুটিত হয় লুইস এনরিকের দলের ছন্দময় ফুটবল। প্রথমার্ধেই তিন গোল হজম করে কোণঠাসা হয়ে পড়ে ম্যানসিটি। ম্যাচের ১৩ মিনিটে দেজিরে দুয়ের নিখুঁত নিচু শটে এগিয়ে যায় পিএসজি। এর ঠিক দুই মিনিট পরেই দুয়ের দারুণ ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন উসমান দেম্বেলে। ৩২ মিনিটে ম্যাগনেস আকালিউশ ও জাইরে এমেরির চমৎকার বোঝাপড়ায় গড়ে ওঠা আক্রমণ থেকে তৃতীয় গোলটি আদায় করেন ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় ভিতিনিয়া।

বিরতির পর স্বাগতিক কোচ এনজো মারেসকা তিন পরিবর্তন এনে ইতিহাদে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দেন। আট মিনিটের মাথায় ইলিমান এনদিয়ায়ের পাস থেকে হেডে গোল করে ব্যবধান কমান নরওয়েজীয় তারকা আর্লিং হলান্ড। এই গোলের মাধ্যমে সার্জিও অ্যাগুয়েরোকে টপকে চ্যাম্পিয়নস লিগে সিটির সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন হলান্ড। পাশাপাশি লিওনেল মেসিকে (৮০ ম্যাচ) পেছনে ফেলে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে দ্রুততম (মাত্র ৬০ ম্যাচে) ৬০ গোলের মাইলফলকও স্পর্শ করেন তিনি।

তবে সিটি ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন দেখলেও ৬২ মিনিটে পিএসজির হয়ে আকালিউশ চতুর্থ গোলটি করে জয় নিশ্চিতের পথ প্রশস্ত করেন। ম্যাচের শেষভাগে হলান্ড তার দ্বিতীয় গোল তুলে নিয়ে কেবল ব্যবধানই কমাতে পেরেছেন। নাটকীয়তার শেষ এখানেই নয়, শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি পেয়েও তা থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন পিএসজির ফেরান তোরেস; তার স্পট কিট ঠেকিয়ে দেন সিটি গোলরক্ষক দোন্নারুম্মা।

ফলে মৌসুমের প্রথম হারের তেতো স্বাদ পেয়ে মাঠ ছাড়তে হলো সিটিকে, অন্যদিকে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের টানা তৃতীয় শিরোপা জয়ের মিশনটা যে পিএসজি কতটা শক্তভাবে নিয়েছে, তা আরেকবার প্রমাণ করে দিল ফরাসি ক্লাবটি। টানা দুই জয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে প্যারিসের ক্লাবটি। অন্যদিকে দুই ম্যাচে একটি করে জয় ও হারে ১৭ নম্বরে নেমে গেছে ম্যানসিটি।

দৈনিক রূপালী চট্টগ্রাম