যে কারণে সৌদির বিমানবন্দরকে লক্ষ্যবস্তু করছে হুতিরা

প্রধান অ্যাডমিন — 2026-10-11T11:47:00.000Z



মধ্যপ্রাচ্য
যে কারণে সৌদির বিমানবন্দরকে লক্ষ্যবস্তু করছে হুতিরা
রুপালী চট্টগ্রাম
হুতি যোদ্ধারা ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর ওপর হামলা চালাচ্ছে। 

হুতি যোদ্ধারা ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর ওপর হামলা চালাচ্ছে। ছবি: রয়টার্স

সৌদি আরবের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার দায় এখনো স্বীকার করেনি ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর সামরিক মুখপাত্র। তবে সৌদির বিমানবন্দরগুলো তাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হবে বলে আগেই জানিয়েছিল গোষ্ঠীটি। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে সেই কৌশলেরই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। খবর আল জাজিরার।



সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও আকাশসীমা ব্যবহার না করতে বিমান সংস্থা ও যাত্রীদের সতর্ক করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। সৌদি রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় ১২ জন নিহত হওয়ার পর রোববার এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।





সৌদি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় ১২ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন সৌদি নাগরিক, দুজন বাংলাদেশি এবং যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, সুদান ও মিসরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।


হুতিদের মতে, তাদের ‘অবরোধের বদলে অবরোধ’ এবং ‘বিমানবন্দরের বদলে বিমানবন্দর’ নীতির অংশ হিসেবে এসব হামলা চালানো হচ্ছে। গোষ্ঠীটির দাবি, ইয়েমেনের রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা এবং তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন প্রদেশে সৌদি বিমান হামলার জবাব দিতেই তারা এ কৌশল নিয়েছে।




প্রতিশোধের অংশ হিসেবে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে হুতিরা। এর মধ্যে রয়েছে দেশটির তেল স্থাপনা আরামকো এবং রাজধানী রিয়াদের বিমানবন্দর, যা সৌদি আরবের অন্যতম প্রধান বিমান চলাচলকেন্দ্র।



সৌদি আরব পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেও ইয়েমেনে দেশটির চালানো একাধিক বিমান হামলার কথা উল্লেখ করেছে হুতি গোষ্ঠী। তাদের বক্তব্য, এসব হামলার পরও সৌদি আরবের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপের সক্ষমতা ধরে রেখেছে তারা।


এদিকে সৌদি আরবের রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর ইয়েমেনের হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র যোগ দেবে কি না, তা শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


শনিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা যোগ দিতে পারি। বিষয়টি খতিয়ে দেখব। হামলার খবর আমরা মাত্রই জেনেছি। তাই সিদ্ধান্ত নেব। আমরা খুব দ্রুত পদক্ষেপ নিই।’


সূত্র : আল জাজিরা