কুমিল্লায় স্কুলশিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যা করে অটোরিকশা চালক সুমন। আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় পুলিশ।

প্রধান অ্যাডমিন — 2026-10-10T07:18:00.000Z

কুমিল্লায় স্কুলশিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যা করে অটোরিকশা চালক সুমন। আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় পুলিশ। 
পুলিশ জানায়, ৮ অক্টোবর সকালে লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর (উত্তর পাড়া) গ্রামে ধানক্ষেতের আইলের পাশে একটি মেয়ের মরদেহ পড়ে আছে মর্মে জাতীয় জরুরী সেবা (৯৯৯) এ কল আসে। লালমাই থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিমকে শনাক্তকরণসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তীতে, ভিকটিমের পিতা মরদেহটি শনাক্ত করেন এবং ভিকটিমের নাম জান্নাতুল তাজমিন (১৫) মর্মে জানা যায়। ভিকটিমের স্থায়ী ঠিকানা যশোর জেলার।
পুলিশ আরও জানায়, ভিকটিম তার পিতার চাকুরীর সূত্রে পরিবারসহ কুমিল্লার রেসকোর্স এলাকায় বসবাস করে। ভিকটিম জান্নাতুল তাজমিন (১৫) কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তনের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। এই সংক্রান্তে লালমাই থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয়। মামলা রুজু হওয়ার সাথে সাথে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও থানা পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে সিএনজি চালক সুমন মিয়া (৩৫)-কে চট্টগ্রাম হতে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে, আসামী সুমন মিয়া ঘটনাস্থলে তার সিএনজিটি রেখে কাছাকাছি মসজিদের সামনে এসে পুকুরে গোসল করে এবং একটি ভাড়ায় চালিত সিএনজিতে করে ঝালমুড়ি বাজার যায়। ঝালমুড়ি বাজার এলাকায় একটি পুকুরের পাশে জঙ্গলে ভিকটিমের নিকট থেকে নেওয়া আইফোনটি লুকিয়ে রেখে চট্টগ্রাম চলে যায়। পরদিন অর্থাৎ গত ০৯.১০.২০২৬ খ্রিঃ তারিখ চট্টগ্রাম হতে আসামী সুমন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয় এবং তার স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে ঝালমুড়ি এলাকার পুকুরের পাশের জঙ্গল হতে ভিকটিমের ব্যবহৃত আইফোনটি উদ্ধার করা হয়।